চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উষ্ণ অভ্যর্থনা পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর এক লিখিত বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার বরাতে জানা গেছে, শি জিনপিং দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেছেন যে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের উচিত একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে বরং অংশীদার হিসেবে কাজ করা।
দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে গভীর আলোচনার ব্যাপারে আশাবাদী চীনা প্রেসিডেন্ট। তিনি প্রস্তাব করেন, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি হওয়া উচিত সহযোগিতা। পাশাপাশি সীমার মধ্যে প্রতিযোগিতা বজায় রেখে মতপার্থক্য নিয়ন্ত্রণ এবং একটি শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার মাধ্যমে স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করলে উভয় দেশই লাভবান হবে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাচনী স্লোগান ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’-এর প্রতি ইঙ্গিত করে শি জিনপিং বলেন, চীনা জাতির গৌরবময় পুনরুত্থান এবং আমেরিকার মহান হওয়ার লক্ষ্য একে অপরের পরিপন্থী নয়। বরং এই দুটি লক্ষ্য একসাথে পথ চলতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। শি জিনপিং অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে বলেন, সঠিক পথে চললে এই লক্ষ্য অর্জনে দুই দেশই সফল হবে। কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে এই বক্তব্যকে দুই পরাশক্তির মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শি জিনপিং দৃঢ়তার সাথে বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা এটি অর্জন করতে পারব। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং আমাদের পারস্পরিক স্বার্থ গভীরভাবে জড়িত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীতে পৌঁছানোর পর দুই নেতা লাল গালিচায় করমর্দন করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর ট্রাম্প ও শি’র মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আগেই এই মন্তব্যগুলো সামনে এলো।
















