দেশের শিল্পকারখানায় চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দ্রুত নিরসনের বিষয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের সভায় সভাপতিত্ব করার সময় তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল থেকেই শিল্পাঞ্চলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৈঠক শেষে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমইএ) ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আবুল কালাম সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী তাদের নিশ্চিত করেছেন যে এখন থেকে মিল-কলকারখানায় বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। ফলে শিল্পোদ্যোক্তারা পুনরায় পুরোদমে উৎপাদনে ফিরতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী অতীতে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তার প্রতিটিই সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই আশ্বাসে ব্যবসায়ীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং তারা হাসিমুখে সভা ত্যাগ করেছেন।
ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক আলোচনার বিষয়ে বলেন, সংকট শুরুর আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পাওয়াটা আজকের সভার সবচেয়ে বড় অর্জন ও স্বস্তির বিষয়। আগামীকালের মধ্যে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন।
এর আগে সভায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকট মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কৌশল তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। এছাড়া সভায় সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন খাতে ঘটে যাওয়া বেশ কিছু উন্নয়ন ও সমসাময়িক ঘটনাবলি নিয়েও আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, এর মধ্যে দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর পরিকল্পনা, সাইবার সুরক্ষা আইন এবং গ্রেপ্তারের আগে পরোয়ানা যাচাইয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনায় স্থান পেয়েছে। এছাড়া এশিয়ান গেমসে উত্তর কোরিয়ার কাছে বাংলাদেশের ফুটবল দলের ১০ গোলে পরাজয়ের ঘটনাটি সভায় উঠে আসে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শিল্পে কাল থেকে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহে উন্নতির আশ্বাস পেলেন ব্যবসায়ী নেতারা।














