বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের আবেগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ‘ব্যালন ডি’অর অব অল টাইম’ বা ‘বোট’ নামক একটি বিশেষ ভোটাভুটিতে বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো।
সমর্থকদের পছন্দের ব্যালন ডি’অরজয়ী বছর নির্বাচনের এই প্রতিযোগিতায় প্রতিটি ভোটের জন্য গুনতে হচ্ছে এক ইউরো। তবে এই লড়াইয়ে শীর্ষে থাকলেও রোনালদো কোনো আনুষ্ঠানিক ট্রফি পাচ্ছেন না বলে স্পষ্ট করেছে ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ। ট্রফি জয়ের কথা শুধু বলি, কাজে তার প্রতিফলন নেই: হৃদয়। তবে শেষ পর্যন্ত শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও নতুন কোনো আনুষ্ঠানিক ট্রফি উঠবে না পর্তুগিজ তারকার হাতে। মঙ্গলবার নিজেদের ওয়েবসাইটে ভোটের সর্বশেষ অবস্থা জানাতে গিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, এই আয়োজনটি মূলত সমর্থকদের ভালোবাসা ও আবেগকে উদ্যাপনের একটি মাধ্যম। এর সঙ্গে নতুন কোনো আনুষ্ঠানিক পুরস্কার বা ট্রফির সম্পর্ক নেই। তাই এই ভোটে জয়ী হওয়াকে রোনালদোর ষষ্ঠ ব্যালন ডি’অর বা নতুন কোনো স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য করার কোনো অবকাশ নেই। ঢাকার ৪১ ওয়ার্ডে নেই পার্ক-খেলার মাঠ, শিশুর শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ।
ভোটের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রোনালদোর ২০০৮ সালের ব্যালন ডি’অর জয়টি মোট ভোটের ৭৫ শতাংশ সমর্থন পেয়েছে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মেসির ২০১২ সালের জয়, যা মোট ভোটের ৯ শতাংশ পেয়েছে। তৃতীয় স্থানেও রয়েছে রোনালদো; তার ২০১৭ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের পক্ষে পড়েছে ৬ শতাংশ ভোট। অর্থাৎ, শীর্ষ তিনটি অবস্থানের দুটিই রোনালদোর দখলে রয়েছে। তবে ভোটের ব্যবধানের পাশাপাশি আলোচনায় রয়েছে এতে অংশ নেওয়ার পদ্ধতিও।
এই প্রতিযোগিতায় মূলত সেই সব ফুটবলারদের রাখা হয়েছে, যারা অন্তত দুবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। তাদের ক্যারিয়ারের প্রতিটি ব্যালন ডি’অর জয়ের জন্য আলাদাভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ফলে পুরো ক্যারিয়ারের বদলে এখানে নির্দিষ্ট বছরগুলোকে বিচার করা হচ্ছে।
রোনালদোর যে বছরটি সবচেয়ে বেশি সমর্থন পাচ্ছে, অর্থাৎ ২০০৮ সালে তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয় করেছিলেন এবং সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪২ গোল করেছিলেন। অন্যদিকে, তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা মেসির ২০১২ পঞ্জিকাবর্ষে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে ৯১ গোল করে অনন্য ইতিহাস গড়ার কীর্তি রয়েছে। জাতীয় দলের জার্সি আছে, জীবিকার নিশ্চয়তা কতটুকু।
ভোট প্রক্রিয়ার নিয়ম অনুযায়ী, এক ইউরো খরচ করে সমর্থকরা একটি ডিজিটাল ছবি সংগ্রহের পাশাপাশি ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এই ব্যবস্থায় একজন সমর্থক যতবার খুশি ভোট দিতে পারছেন, যা চূড়ান্ত ফলাফলে প্রভাব ফেলছে। যেহেতু একই সমর্থক বারবার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, তাই এই ফল কতজন আলাদা ব্যক্তি কাকে সমর্থন করছেন তার সরাসরি নির্দেশক নয়। ‘একই ভুল বারবার করছি’, ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে চান হৃদয়।
উল্লেখ্য, আগামী ২৭ অক্টোবর প্যারিসের স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই ভোটাভুটি চলবে। পুরো প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে ২৮ অক্টোবর। আজ টিভিতে যা যা দেখবেন (২২ অক্টোবর, ২০২৬)।















