Friday , 16 October 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ই-পেপার
  4. খেলা
  5. জনপ্রিয়
  6. জাতীয়
  7. দুর্যোগ
  8. দেশের খবর
  9. বাণিজ্য
  10. বিনোদন
  11. রাজনীতি

ঢাকায় কোথায় মিলবে নিরামিষ খাবার? জানুন বিস্তারিত

প্রতিবেদক

October 16, 2026 10:31 am

ঢাকায় নিরামিষ খাবারের চাহিদা ও স্বাদের বৈচিত্র্য এখন স্পষ্ট। একসময় পুরান ঢাকার শাঁখারিবাজার ও তাঁতিবাজার এলাকা ছিল নিরামিষ-প্রেমীদের প্রধান গন্তব্য। শাঁখারিবাজারের পূজা গলি ও তাঁতিবাজার মোড়ের আশেপাশেই গড়ে উঠেছে জগন্নাথ ভোজনালয় ও অনুরাধা রেস্তোরাঁর মতো প্রাচীন সব খাবারের দোকান। এছাড়া আদি গোবিন্দ নিরামিষ ভোজনালয়ের নামও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার হার নিয়ে এবার মুখ খুললেন লাউতারো। আশা-নিরাশার বালুচরে বেঁচে থাকার লড়াই। এসব খাবারের দোকানকে ভোজনালয়ও বলা হয়। যদিও সেভাবে দিন তারিখের হিসাব নেই, তবে জগন্নাথ ভোজনালয় ঢাকা শহরের অন্যতম প্রাচীন নিরামিষ খাবারের রেস্তোরাঁ। বংশাল মোড় থেকে তাঁতিবাজার স্বর্ণের দোকানের গলি ধরে হাঁটা শুরু করলেই দেখা মেলে এই রেস্তোরাঁগুলোর। তবুও আইটেমের বিশেষত্বের কারণে নীলাচল নিরামিষ-প্রেমীদের কাছে দ্রুতই নাম কামিয়েছে।

জনপ্রিয় নিরামিষ খাবারের দোকান ও বিশেষত্ব

  • জয় মা তারা: এটি মূলত সকালের নাশতার জন্য প্রসিদ্ধ। ৪০ টাকার বিনিময়ে এখানে পরোটা ও ডাল ভাজির থালি পাওয়া যায়। তবে বসার কোনো ব্যবস্থা নেই, দাঁড়িয়েই খেতে হয়।
  • অনুরাধা রেস্তোরাঁ: এখানে ৮০ টাকায় সয়া, গাজর ও আলু দিয়ে তৈরি স্পেশাল ভেজ পোলাও পাওয়া যায়। এর সঙ্গে বেগুনি বা পাকোড়া বেশ জনপ্রিয়।
  • গোপালস পিওর ভেজ রেস্টুরেন্ট: মেরুল বাড্ডায় অবস্থিত এই রেস্তোরাঁটি সাগুদানা দিয়ে পোলাও, পায়েস, খিচুড়ি ও পনির রসার জন্য পরিচিত।
  • নীলাচল: ধানমন্ডির পান্থপথে অবস্থিত এই রেস্তোরাঁয় ৪০টিরও বেশি নিরামিষ আইটেম পাওয়া যায়। বিশেষ পদের মধ্যে রয়েছে পনিরের রোস্ট, পটলের দোলমা এবং দুধ দিয়ে তৈরি সাত্ত্বিক আইসক্রিম।

রেস্তোরাঁর অবস্থান ও দামের ধারণা

ঢাকায় নিরামিষ রেস্তোরাঁর অবস্থান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এগুলোর বেশিরভাগই মন্দির কিংবা হাসপাতালের আশেপাশে গড়ে উঠেছে। যেমন গ্রীন রোড এলাকায় অবস্থিত গোবিন্দাস ও বৃন্দাস মূলত হাসপাতাল এলাকার রোগীদের কথা মাথায় রেখেই খোলা হয়েছে। এসব জায়গায় পনিরের রেজালা, কাশ্মীরি পুষ্পান্ন ও লাবড়া খুব জনপ্রিয়। এছাড়াও ভাটারা, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর এবং মিরপুর ২ নম্বরে নিরামিষ রেস্তোরাঁ গড়ে উঠেছে। সাধারণত এসব দোকানে আইটেম প্রতি ৪০ টাকা থেকে ১০০ টাকার মধ্যে দাম রাখা হয়, তবে রেস্তোরাঁভেদে এই খরচের তারতম্য রয়েছে। নেত্রকোণায় নিহত সাংবাদিকের শরীরে ৬ গুলির ক্ষত, ভেদ করে যায় ৫টি। একদম সকালে এখানে এসে এক থালেই পরোটা ও ডাল ভাজি নিয়ে ৪০ টাকায় সকালের নাশতা সারেন অনেকেই। সকালে নাশতা, দুপুর গড়ালে সিঙ্গারা ও মিষ্টান্ন আইটেম বিক্রি হয় এখানে। এই রেস্তোরাঁর অবস্থান নিমতলি মন্দিরের পাশে, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের ঠিক উল্টোদিকের গলি দিয়ে গেলেই পাওয়া যায় এই রেস্তোরাঁ। এর বাইরে আলু-ফুলকপি রসা, ছানা রসা এসব খাবারও রয়েছে। ধানমন্ডির দিকে, পান্থপথ এলাকায় চলতি বছরেই চালু হয়েছে নীলাচল রেস্তোরাঁ। বৃন্দাসের মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোকজন চিকিৎসা নিতে আসেন এসব এলাকায়।

ব্যবসা ও ট্রেন্ড সম্পর্কে উদ্যোক্তারা

নতুন ধারার নিরামিষ রেস্তোরাঁ নীলাচলের মালিক দীপ্ত ঘোষের মতে, ঢাকায় নিরামিষ খাবারের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে এবং তারা একটি নতুন ট্রেন্ড তৈরি করতে চাচ্ছেন। নিরামিষ ভোজনালয়গুলো খাবার নির্বাচনে অত্যন্ত কঠোর; যেমন অনেক দোকানে আমিষ কোনো উপাদান যাতে মিশে না যায় সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা বা ব্যানার দেওয়া থাকে। নিরামিষ-প্রেমীরা এখন পুরান ঢাকার বাইরেও নিজেদের পছন্দমতো খাবারের বৈচিত্র্য খুঁজে পাচ্ছেন, যা নগর জীবনে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। ৪৫ বিসিএসের গেজেটে বাদ অন্তত ৫৬ প্রার্থী, কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না সুপারিশবঞ্চিতরা। নিরামিষ খাবার নিয়ে এই দোকান এতটাই কঠোর যে, এখানে একটা ছোট ব্যানারে লিখা আছে, ‘এই পরোটা ভাজির থালিতে যাতে কোনো প্রকার আমিষ যেমন ডিম বা অন্য কিছু না নেওয়া হয়’। সঙ্গে মুখের আমেজ বদলাতে থাকে পাঁপড়, বাদাম ভাজা, আলুর ঝুড়ি ভাজা। এই রেস্তোরাঁর একজন মালিক দীপ্ত ঘোষ জানান, ঢাকায় নিরামিষ রেস্তোরাঁর চলের পেছনে দুইটা ব্যাপার কাজ করছে। উত্তরা থেকে মালিবাগ: ঢাকার যেখানে মিলবে চাকমা, মারমা ও গারো খাবার।

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক