Tuesday , 13 October 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ই-পেপার
  4. খেলা
  5. জনপ্রিয়
  6. জাতীয়
  7. দুর্যোগ
  8. দেশের খবর
  9. বাণিজ্য
  10. বিনোদন
  11. রাজনীতি

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.২% ও মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস ১০.৯%

প্রতিবেদক

October 13, 2026 4:22 am

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অক্টোবর ২০২৬-এর ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ২ শতাংশে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সাথে গড় মূল্যস্ফীতি ১০ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত হতে পারে, যা দেশের অর্থনীতির পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া, বিনিয়োগ পরিবেশ এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার ৩ দশমিক ৬ শতাংশ এবং গড় মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৭ শতাংশ হতে পারে বলে চূড়ান্ত হিসাব রয়েছে। বাংলাদেশ সম্পর্কে এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত কিছু বলা না হলেও আইএমএফ আগের বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলেছে, প্রবৃদ্ধির গতি কমে যাওয়া অর্থনীতির জন্য উদ্বেগজনক।

বৈশ্বিক অর্থনীতির সার্বিক চিত্রের দিকে তাকালে দেখা যায়, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে, যা ২০২৭ সালে বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া বৈশ্বিক গড় মূল্যস্ফীতি ২০২৬ সালে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে। বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের যৌথ বার্ষিক সভায় প্রকাশিত এসব তথ্য বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলোকে স্পষ্ট করে তুলেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রবৃদ্ধির গতি কমে যাওয়া এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ছে। শিল্প উৎপাদন ও বেসরকারি বিনিয়োগ আশানুরূপ না বাড়ায় দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসা সম্প্রসারণ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এর ফলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের প্রকৃত আয় কমে গিয়ে জীবনযাত্রার সংকট তীব্রতর হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষেরা।

সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংকও বাংলাদেশের অর্থনীতির নাজুক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেছে। সংস্থাটির মতে, বেসরকারি বিনিয়োগ স্থবিরতা এবং জ্বালানি ও বিদ্যুতের সংকট শিল্প উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করছে। পাশাপাশি ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের আধিক্য ও মূলধন ঘাটতি আর্থিক স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলেছে। সামাজিক সুরক্ষার নামে সরকার বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করলেও তার সুফল দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীর কাছে যথাযথভাবে পৌঁছাচ্ছে না; অনেক সচ্ছল পরিবার এর সুবিধা পেলেও প্রান্তিক মানুষ সহায়তার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত ‘মেক সাবসিডিজ অ্যান্ড সোশ্যাল প্রটেকশন ওয়ার্ক বেটার ফর দ্য পুওর’ শিরোনামের বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে কিছু জরুরি সংস্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, সুশাসন নিশ্চিত করা, কর-রাজস্ব আদায় বাড়ানো এবং জ্বালানিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সাথে সাধারণ ভর্তুকি পর্যায়ক্রমে কমিয়ে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

সর্বশেষ - Uncategorized

আপনার জন্য নির্বাচিত