প্রযুক্তি বিশ্বে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে স্মার্টফোন নির্মাণে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান ভিভো। বর্তমানে বিশ্বের ৬০টি দেশে তাদের স্মার্টফোন বিক্রি হচ্ছে এবং প্রতি মাসে সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০ কোটিরও বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি বছর ১০ কোটিরও বেশি স্মার্টফোন সরবরাহ করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে তাদের পোর্টফোলিওতে এক্স ফোল্ড, এক্স, ভি এবং ওয়াই সিরিজের স্মার্টফোন রয়েছে।
চীনের ডুংগুয়ানে অবস্থিত ভিভোর সদর দপ্তরে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেখানে ভিভোর সিনিয়র ম্যানেজার (প্রোডাক্ট) হ্যারি জানান, ক্যামেরা প্রযুক্তিতে উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে জার্মানির জাইসের সঙ্গে তাদের অংশীদারত্ব রয়েছে। এছাড়া মিডিয়াটেকের ব্লু চিপ ব্যবহারের মাধ্যমে ভিভো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রগতি অর্জন করছে। এর আগে সোমবার সাংহাইতে আয়োজিত ‘ভিভো মোমেন্ট জার্নি’ অনুষ্ঠানে নতুন তিনটি স্মার্টফোন—এক্স ৫০০, এক্স ৫০০ প্রো এবং এক্স ৫০০ প্রো ম্যাক্স উন্মোচন করা হয়। একই সঙ্গে ভিভো ওয়াচ ৬ এবং ভিভো বাডস ক্লিপও বাজারে ছাড়া হয়েছে।
বাংলাদেশের বাজার প্রসঙ্গে ভিভোর দক্ষিণ আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়া মহাব্যবস্থাপক গেব গাও জানান, দেশের বাজারে মধ্যম বাজেটের স্মার্টফোনের চাহিদা বেশি। তাই নতুন উন্মোচিত এক্স ৫০০ সিরিজ শীঘ্রই বাংলাদেশে আনার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের মতো গাড়ি বা রোবট তৈরির পরিকল্পনায় আপাতত ভিভো নেই। প্রতিষ্ঠানটি মূলত স্মার্টফোন এবং এর অনুষঙ্গ ডিভাইসের গবেষণা ও উন্নয়নেই সর্বোচ্চ মনোযোগ দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, ভিভোর মূল কোম্পানি বিবিকে ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১১ সালে বিবিকে প্রথম ভিভো ব্র্যান্ড নামে স্মার্টফোন বাজারে আনে। ডুংগুয়ানের কারখানায় প্রতি মাসে ৬০ লাখ স্মার্টফোন উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। সদর দপ্তরে স্মার্টফোনের পাশাপাশি ভিআর সেট, স্মার্টওয়াচ এবং জাইসের বিশেষ টেলিফটো লেন্সের মতো প্রযুক্তিগত পণ্যগুলোও প্রদর্শন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আরেক প্রশ্নের উত্তরে গেব গাও বলেন, ‘আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো আমরা গাড়ি বা রোবট এখনই তৈরি করব না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রাচীন এশিয়া ও আফ্রিকা অঞ্চলে যাঁরা যুদ্ধ জয় করতেন, তাঁরা ‘ভিভো ভিভো’ বলে উল্লাস করতেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রযু্ক্তিবিশ্ব পুরোপুরি জয় না করলেও চীনা স্মার্টফোন নির্মাতা ভিভো যে প্রযুক্তিকে জয় করার ইচ্ছা রাখে, তা বোঝা গেল চীনের ডুংগুয়ানে তাদের সদর দপ্তর দেখে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গতকাল বুধবার দুপুরের খানিকটা আগে ভিভোর সদর দপ্তরে পৌঁছে প্রথমেই চীনের ঐতিহ্যবাহী ঢঙের বিশাল ফটক চোখে পড়ল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অনেকগুলো বড় দালান, কিন্তু বাহুল্য নেই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বরং প্রকৃতিকে পুরোটাই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
















