Monday , 12 October 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ই-পেপার
  4. খেলা
  5. জনপ্রিয়
  6. জাতীয়
  7. দুর্যোগ
  8. দেশের খবর
  9. বাণিজ্য
  10. বিনোদন
  11. রাজনীতি

সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়াই কেন একের পর এক উড়োজাহাজ কিনছে

প্রতিবেদক

October 12, 2026 7:16 am

লাল-সবুজ পতাকাবাহী রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে বর্তমানে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে সংস্থাটি সম্প্রতি আরও ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার বড় ধরনের চুক্তি সম্পন্ন করেছে। তবে এই বিপুল সংখ্যক উড়োজাহাজ যোগ করার পেছনে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যবসায়িক ও রুটভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা নেই বলে প্রশ্ন উঠছে। সরকারের লক্ষ্য হলো দেশের আকাশপথে বিমানের যাত্রী পরিবহনের হার বর্তমানের ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে অন্তত ৫০ শতাংশে উন্নীত করা। বিশ্লেষণ / ব্যবসায়িক পরিকল্পনা চূড়ান্ত না করেই কেন একের পর এক উড়োজাহাজ কিনছে বিমান।

নতুন উড়োজাহাজ কেনা হলেও কোন রুটে কতগুলো ফ্লাইট বাড়বে, নতুন রুটগুলোতে বিমানের নিয়ন্ত্রণ কেমন হবে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বাজারের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে অন্যান্য বাজারে কীভাবে প্রবেশ করা হবে—তা নিয়ে কোনো বিস্তারিত রূপরেখা প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি বোয়িং ও এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার এই বড় উদ্যোগের সঙ্গে কর্মী নিয়োগ, রক্ষণাবেক্ষণ ও অর্থায়নের মতো মৌলিক বিষয়গুলো কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে, তার কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যাও মিলছে না। চুয়েট শাটডাউন: ‘তালা ভেঙে’ নিজ দপ্তরে প্রবেশ করলেন নতুন উপাচার্য। ‘মেসির চেয়েও বড় বার্সেলোনা,’ বিদায় সংবর্ধনা নিয়ে ক্ষুব্ধ গাসপার্ত।

উড়োজাহাজ কেনার এই প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েক ধাপে সম্পন্ন হয়েছে। গত বছরের জুলাইয়ে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ‘ট্রাম্প ট্যারিফ’ নিয়ে আলোচনার সময় অন্তর্বর্তী সরকার বোয়িং উড়োজাহাজের সংখ্যা ১৪ থেকে বাড়িয়ে ২৫টি করার ঘোষণা দেয়। অথচ সেই সময় বিমানের কারিগরি ও আর্থিক কমিটির সদস্যরাও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ১৪টি বোয়িং কেনার চুক্তি হয় এবং সেপ্টেম্বরে আরও ১১টি বোয়িং যোগ করার সম্পূরক চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। এর পাশাপাশি গত ৭ অক্টোবর ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস থেকে আরও ১০টি উড়োজাহাজ কেনার পৃথক চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। সবমিলিয়ে মার্কিন এই প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়ে গেছে।

এর আগে ২২ এপ্রিল এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বিমানকে রুটভিত্তিক আয়-ব্যয়ের হিসাব ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সেই বৈঠকে ২০৩৪-৩৫ অর্থবছরের মধ্যে বিমানের বহর ৪৭টিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বোয়িং ও এয়ারবাস থেকে নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির পর সেই মূল কর্মপরিকল্পনা হালনাগাদ করা হয়েছে কি না, তা এখনো অস্পষ্ট।

বিমানের বর্তমান অপারেশনাল সক্ষমতা নিয়েও নানা উদ্বেগ রয়েছে। এর মধ্যেই এয়ারবাস কেনার জন্য ফ্রান্সের পক্ষ থেকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে এবং বাংলাদেশ ২০৩০ সালের আগেই এই উড়োজাহাজগুলো পেতে আগ্রহী। এদিকে, যন্ত্রাংশ ও দক্ষ কর্মীর সংকটের কারণে অনেক সময় বিমানকে ঝুঁকি নিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করতে হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি রিয়াদগামী দুটি ফ্লাইট পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সময় ছোটখাটো দুর্ঘটনার খবরও সামনে আসছে। অবরোধ স্থগিত, মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যে পর্যটকদের সাজেক ছাড়ার নির্দেশ।

উল্লেখ্য যে, একই সময়ে দেশের অন্য প্রান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটেছে। যেমন, পাবনায় ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছে এবং ১৫টি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন শিল্প ও প্রশাসনিক সংকটের মতো জটিল পরিস্থিতির মধ্যে বিমানের এই বিশাল বহর কেনার সিদ্ধান্তকে ঘিরে নানা মহলে আলোচনা চলছে। পাবনায় ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ঘে আহত ৪০, ভাঙচুর ১৫ বাড়ি।

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

সর্বোচ্চ পঠিত - আন্তর্জাতিক