আগামী বছর হজের খরচ আরও কমানোর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ধর্মমন্ত্রী। ৮ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) জাতীয় সংসদের ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, হাজিদের কোনো ধরনের ভোগান্তি যেন না হয়, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী ২০২৩ সালের হজ ব্যবস্থাপনার বিমান ভাড়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি উল্লেখ করেন, সে বছর বিমান ভাড়া বাবদ হাজিদের কাছ থেকে এক লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে এই ভাড়া কমিয়ে এক লাখ ৩০ হাজার টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালে কেন এত বেশি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল এবং সেই অতিরিক্ত অর্থ কোথায় ব্যয় হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
২০২৬ সালের হজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, খাতভিত্তিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কারণেই উদ্বৃত্ত অর্থ হাজিদের ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আগামী দিনে হজের খরচ আরও যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেছেন, বর্তমানে যেখানে বিমান ভাড়া এক লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে ২০২৩ সালে এত বেশি ভাড়া নেওয়া অর্থ কোথায় গেছে, তা খতিয়ে দেখা উচিত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আর ২০২৭ সালে তা কমিয়ে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আগামী বছর হজের খরচ আরও কমবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।












