চীনের গুয়াংডং প্রদেশের হুইঝৌ শহরের এক পেশাদার স্ক্র্যাপ-মেটাল রিফাইনার প্রায় দুই টন টেলিকম ও ইলেকট্রনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে ১৯১ গ্রাম সোনা উদ্ধার করেছেন। উদ্ধারকৃত এই সোনার বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ইউয়ান বা ২৯ হাজার মার্কিন ডলার। গত ২০ জানুয়ারি তিনি সোনা উদ্ধারের এই জটিল প্রক্রিয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন, যা দ্রুতই ভাইরাল হয়ে পড়ে।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, পুরোনো সিম কার্ডসহ বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক স্ক্র্যাপ রাসায়নিক দ্রবণে ভিজিয়ে রাখা হচ্ছে। এরপর ক্ষয়, রাসায়নিক বিক্রিয়া, পরিশোধন এবং উচ্চ তাপমাত্রায় গরম করার মতো একাধিক ধাপ পার করে শেষ পর্যন্ত ১৯১ গ্রাম সোনা পাওয়া যায়। তবে রিফাইনার চাও জানিয়েছেন, এই সোনা কেবল সিম কার্ড থেকে আসেনি। তিনি প্রায় দুই টন স্ক্র্যাপ প্রক্রিয়াজাত করেছেন, যার মধ্যে টেলিকম খাতের চিপ বর্জ্যসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক উপাদান ছিল।
ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশে সোনার ব্যবহারের কারণ হলো এর চমৎকার বিদ্যুৎ পরিবাহিতা এবং ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা। সিম কার্ড ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্টে সোনার প্রলেপ ব্যবহার করা হয়। ভিডিওটি প্রচারের পর চীনের অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে পুরোনো সিম কার্ড কেনাবেচার আগ্রহ অনেক বেড়ে গেছে। অনেকেই এখন পুরোনো ইলেকট্রনিক বর্জ্যে মূল্যবান ধাতু থাকার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবছেন।
তবে বিশেষজ্ঞ ও পেশাদার রিফাইনাররা সাধারণ মানুষকে এই পদ্ধতি বাড়িতে অনুসরণ না করার জন্য কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। চাও নিজেও জানিয়েছেন যে, এটি কোনো সাধারণ ঘরোয়া কাজ নয়। এই প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত বিপজ্জনক রাসায়নিক, বিশেষায়িত যন্ত্রপাতি এবং কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত শিল্প পরিবেশের প্রয়োজন হয়। তাঁর এই প্রদর্শন মূলত শিল্প পর্যায়ের স্ক্র্যাপ রিফাইনিংয়ের একটি উদাহরণ মাত্র, যা সাধারণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে বিষয়টির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ১৯১ গ্রাম সোনা শুধু সিম কার্ড থেকেই পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামাজিক মাধ্যমে ‘চাও’ নামে পরিচিত ওই ব্যক্তি মূল্যবান ধাতু রিফাইনিংয়ের কাজ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভিডিওটি প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই লাখ লাখ মানুষ সেটি দেখেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে একটি সিম কার্ডে থাকা সোনার পরিমাণ অত্যন্ত সামান্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাই সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও দেখে ব্যক্তিগতভাবে একই পদ্ধতি অনুসরণ করা গুরুতর স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।














