যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন বর্তমান প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে ভিসা বাতিলের হার ব্যাপক হারে বেড়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত তিন লাখের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে। মূলত দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অজুহাতে অভিবাসনবিরোধী কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ‘অপেশাদার আচরণ’, তাৎক্ষণিক সরানো হলো রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে। ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিলের কথা জানাল ট্রাম্প প্রশাসন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে এই ভিসাগুলো বাতিল করা হয়েছে বলে মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, এ তথ্য প্রকাশের মধ্য দিয়ে আবারও অভিবাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন সরকারের কঠোর অবস্থানের চিত্র সামনে এলো।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানান, ইতিহাসের যেকোনো মার্কিন প্রশাসনের চেয়ে ট্রাম্পের বর্তমান সরকার অনেক দ্রুতগতিতে ভিসা বাতিলের এই প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে। গত ১০ আগস্ট পর্যন্ত এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি, যা মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে তিন লাখে পৌঁছাল। ২০১৪ থেকে এ বছরের জুন পর্যন্ত সড়কে সোয়া লাখ মৃত্যু: যাত্রী কল্যাণ সমিতি। আন্তর্জাতিক যাত্রী বেড়ে দ্বিগুণ হলেও সক্ষমতায় পিছিয়ে দেশের বিমানবন্দরগুলো। চিরনিদ্রায় শায়িত সাংবাদিক সোহরাব হোসেন। গত ১০ আগস্ট পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদ শুরু হওয়ার পর থেকে বাতিল করা ভিসার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি।
ভিসা ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি সম্পর্কে মুখপাত্র বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী যেসব বিদেশি নাগরিক আইন লঙ্ঘন করেছেন, জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছেন, তাদের ভিসাই মূলত বাতিল করা হচ্ছে।
তবে এই কড়াকড়ি নিয়ে বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে। অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, সরকার জাতীয় নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে আসলে বাকস্বাধীনতা দমন করতে চাচ্ছে। বিশেষ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো ফিলিস্তিনপন্থী বিদেশিদের লক্ষ্য করে ভিসা বাতিলের বিষয়টি নিয়ে তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এছাড়া রাজনৈতিক বিশ্লেষক চার্লি কার্কের ওপর হত্যাচেষ্টার ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা মন্তব্যের জের ধরেও অনেক বিদেশির ভিসা বাতিল করা হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, সরকার বিচ্ছিন্ন কিছু জালিয়াতির ঘটনার ওপর ভিত্তি করে সামগ্রিকভাবে অভিবাসীদের হেয় প্রতিপন্ন করছে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, ভিসা আবেদনকারী এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের এই কঠোর নজরদারি আইনি প্রক্রিয়ার মৌলিক অধিকারকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসীদের মধ্যে একধরনের নিরাপত্তাহীনতা ও বর্ণবৈষম্যের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ডোনাল্ড ট্রাম্প মূলত অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও, সমালোচকদের মতে তার এই নীতি বৈধ অভিবাসীদের জন্যও যুক্তরাষ্ট্রের দরজা আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন করে তুলেছে। ‘খাঁটি অলরাউন্ডার’ মিনহাসকে পেয়ে আপ্লুত শাহীন।















