এজবাস্টন টেস্টের তৃতীয় দিনে পেস বোলিং অলরাউন্ডার রাজাউল্লাহর অবিশ্বাস্য ৮১ রানের ইনিংসটি কেবল পাকিস্তানের ইনিংস হারই এড়ায়নি, বরং ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) দল জ্যামাইকা কিংসম্যানের পরিকল্পনাও পুরোপুরি ভেস্তে দিয়েছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজের ওই দিনটি পাকিস্তানের জন্য ছিল স্বস্তির, কিন্তু এর প্রভাব পড়েছে সিপিএলের ম্যাচে।
ক্রিকইনফোর তথ্যমতে, প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের চেয়ে ৩২০ রানে পিছিয়ে থাকা পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে দ্বিতীয় দিন শেষে ৫২ রান তুলতে ২ উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে ছিল। স্বাভাবিকভাবেই মনে হয়েছিল তৃতীয় দিনেই খেলা শেষ হয়ে যাবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্যামাইকা কিংসম্যান তাদের হয়ে খেলা সাইম আইয়ুবকে ম্যাচ শেষে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছে অনুরোধ জানায়, যা পিসিবি মেনেও নেয়। সেই অনুযায়ী, শুক্রবারের ম্যাচের পর সাইমের বার্বাডোজের ফ্লাইট ঠিক করা হয়েছিল।
কিন্তু মাঠের চিত্র পুরোপুরি বদলে দেন রাজাউল্লাহ। নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমে তিনি মোহাম্মদ আব্বাসের সঙ্গে ১২৩ বল মোকাবিলায় ১২১ রানের অবিশ্বাস্য এক জুটি গড়েন। আব্বাস ৪২ রানে আউট হলেও অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি ছুটিয়ে ফিফটি পার করেন। এরপর মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে শেষ উইকেটে যোগ করেন আরও ১০ রান। দিনের শেষ ওভারে ৬৩ বলে ৮১ রান করে যখন আউট হন, ততক্ষণে পাকিস্তানের লিড দাঁড়িয়েছে ১২৯ রানে এবং ম্যাচ গড়িয়েছে চতুর্থ দিনে।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যস্ততার কারণে নির্ধারিত শুক্রবারের ফ্লাইটে ওঠা সম্ভব হয়নি সাইম আইয়ুবের। সিপিএলে দারুণ ছন্দে থাকা সাইমকে জ্যামাইকা চেয়েছিল শনিবার রাতের বাঁচামরার লড়াইয়ের জন্য, যেখানে প্রতিপক্ষ ছিল বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস। সিপিএলের ৩ ইনিংসে ইতোমধ্যে একটি সেঞ্চুরিসহ ১২৭ রান করা সাইমকে ছাড়া মাঠে নেমে শেষ পর্যন্ত ২ উইকেটে হেরে যায় জ্যামাইকা। এই হারের ফলে প্লে-অফের দৌড় থেকে ছিটকে গেছে দলটি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুজনের ১২৩ বলের জুটিতে পাকিস্তান পায় ১২১ রান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আব্বাস ৪২ রানে আউট হয়ে গেলেও অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ ফিফটির পরও একের পর এক বাউন্ডারি মেরে যাচ্ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আর সে কারণেই সাইমের জন্য শুক্রবারের ফ্লাইটের টিকিট কেটে রাখে জ্যামাইকা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এক রাজাউল্লাহই যে সবকিছু ওলট-পালট করে দিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শেষ বিকেলে তাই পাকিস্তান হার নিশ্চিতই মনে হচ্ছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রান আছে, সেঞ্চুরি নেই—ইংল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজে বিশ্ব রেকর্ড।
















