যশোরে রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ইজিবাইকের দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। শনিবার বিকেলে সদর উপজেলার কৃষ্ণবাটি এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন আজিজুর রহমান (৪০) ও এরশাদ আলী (৪৫)। তারা উভয়েই যশোর সদর উপজেলার তাফসিডাঙ্গা গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর, আটক ৩।
প্রত্যক্ষদর্শী ও রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রূপসী বাংলা ট্রেনটি যশোরের দিকে যাওয়ার পথে কৃষ্ণবাটি এলাকায় পৌঁছায়। ঠিক সেই সময় ইজিবাইকটি রেললাইন অতিক্রম করছিল। ট্রেনটির ধাক্কায় ইজিবাইকটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই ওই দুই যাত্রীর মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। যশোর জিআরপি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন জানান, দুর্ঘটনায় নিহত দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনার প্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বর্তমানে পুলিশ রেললাইন পার হওয়ার সময় ইজিবাইকের অবস্থান এবং দুর্ঘটনার সামগ্রিক পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে।
উল্লেখ্য, এর আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে রেলক্রসিংয়ে নানা ধরনের দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও প্রাইভেটকার আটকে গিয়ে আবার কোথাও ট্রেনের ছাদে থাকা যাত্রীদের ওভারব্রিজের সঙ্গে ধাক্কা লাগার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেখা গেছে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে রেলক্রসিংগুলোতে সতর্কতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো নিয়ে প্রায়ই আলোচনা হয়ে থাকে।
জাকার্তার অদূরেও সম্প্রতি দুই ট্রেনের সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত এবং ৮৪ জন আহত হওয়ার মতো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। রেলপথে যাত্রী ও চালকদের অসতর্কতা এবং যথাযথ সতর্কসংকেত না মানার ফলে প্রতিনিয়ত এমন দুর্ঘটনা ঘটছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যশোরে ঘটে যাওয়া এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাওয়া যাবে বলে আশা করছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
পরবর্তী আইনি কার্যক্রম শেষ করে নিহতদের মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে স্থানীয়দের পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলছে পুলিশ। বিষয়টি বর্তমানে স্থানীয় প্রশাসনের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।















