পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগদানের পর দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দীর্ঘ সফর শেষে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী প্রায় ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।
সফরকালীন কার্যক্রম ও প্রাপ্তি
সফরের উল্লেখযোগ্য দিক ছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ প্রদান। এছাড়াও বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে তিনি একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। এসব আলোচনা ও সেমিনার অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।
প্রত্যাবর্তন যাত্রা
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নিয়েছেন। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে তিনি যাত্রা করেন। দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ছয় ঘণ্টার বিরতি শেষে সেখান থেকে তিনি সরাসরি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। নিউ ইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে অবস্থানকালীন এবং বিদায়ের সময় প্রবাসী বাংলাদেশি ও দলীয় নেতা-কর্মীরা তাঁকে উষ্ণ সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছা জানান।
- অংশগ্রহণ: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন।
- কার্যক্রম: প্রায় ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ মিটিং ও সেমিনার।
- ভাষণ: জাতিসংঘে প্রথমবার বাংলায় ভাষণ প্রদান।
- সঙ্গী: সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও সরকারি প্রতিনিধিদল।
- যাত্রাপথ: দুবাই হয়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।














