সৌদি আরবের অন্যতম মেগা প্রকল্প এবং ফিফা ২০৩৪ বিশ্বকাপ ফুটবলের নির্ধারিত ভেন্যু ‘প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান স্টেডিয়াম’ নির্মাণে বড় এক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। কাতারের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান এস্থেথমার হোল্ডিং এই প্রকল্পের মেকানিক্যাল কাজের জন্য ৮২৯ মিলিয়ন সৌদি রিয়ালের বিশাল এক চুক্তি লাভ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির কন্টাক্টিং অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ খাতের অধীনস্থ ‘এলেগেন্সিয়া অ্যারাবিয়া ট্রেডিং’ এই প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে। রিয়াদ থেকে প্রায় ৪০ মিনিটের দূরত্বে কুদিয়াইয়া সিটির ২০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত তুয়াইক পাহাড়ের চূড়ায় এই আধুনিক স্টেডিয়ামটি গড়ে তোলা হচ্ছে।
প্রযুক্তিগতভাবে বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ রিট্র্যাক্টেবল বা সংকোচনযোগ্য স্টেডিয়াম হতে যাচ্ছে এটি। এর ছাদ, পিচ এবং বিশাল এলইডি দেওয়াল সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণযোগ্য থাকবে, যা সব ঋতুতে বৈচিত্র্যময় ইভেন্ট আয়োজনে সক্ষম। ফুটবল ম্যাচের জন্য এখানে ৪৭,০০০ আসন থাকলেও, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক আয়োজনে এর ধারণক্ষমতা ৬০,৯০০ ছাড়িয়ে যাবে। কমপ্লেক্সটি বছরে প্রায় ৭৬ লাখ দর্শনার্থীকে আকর্ষণ করবে এবং ৬০টির বেশি ফুটবল ম্যাচসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এলেগেন্সিয়া ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল সার্ভিসেসের অধীনে এই প্রকল্পের মেকানিক্যাল কাজ সম্পন্ন হবে, যা সৌদি আরবে প্রতিষ্ঠানটির এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় কর্মযজ্ঞ। চুক্তির আওতায় তারা হিটিং, ভেন্টিলেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং (HVAC), জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা এবং আধুনিক বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজ করবে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ ২০৩০ সালের মে মাস পর্যন্ত চলবে। এই দীর্ঘ মেয়াদী বিশাল কর্মযজ্ঞে প্রায় ৩,০০০ প্রকৌশলী ও কর্মী যুক্ত থাকবেন।
সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই কৌশলগত ও জটিল মেগা প্রকল্পে কাতারি কোম্পানির অংশগ্রহণ আঞ্চলিক বাজারে তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতারই প্রমাণ। এই জয় আঞ্চলিক শিল্প ও প্রযুক্তি খাতের সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ থেকে প্রায় ৪০ মিনিট দূরে বিখ্যাত কুদিয়াইয়া সিটিতে ২০০ মিটার উচু তুয়াইক পাহাড়ের চূড়ায় এই স্টেডিয়ামটি নির্মিত হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চলতি সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ২০৩০ সালের মে মাস পর্যন্ত এই প্রকল্পের কাজ চলবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিভিন্ন ধাপে এই বিশাল কর্মযজ্ঞে প্রায় ৩,০০০ এলিগেন্সিয়া কর্মী ও প্রকৌশলী কাজ করবেন বলে জানা গেছে।
















