Sunday , 13 September 2026 | [bangla_date]
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খেলা
  4. জনপ্রিয়
  5. জাতীয়
  6. দুর্যোগ
  7. দেশের খবর
  8. বাণিজ্য
  9. বিনোদন
  10. রাজধানী
  11. রাজনীতি

ট্রাম্প প্রশাসনের তৎপরতায় কেন ৩০ বছর পর সক্রিয় হলো বিশেষ সন্ত্রাসী আদালত?

প্রতিবেদক

September 13, 2026 9:47 am

ঘটনাপ্রবাহ ও পটভূমি

  • আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা: বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ।
  • বিশ্লেষণ: ৩০ বছর পুরোনো ‘এলিয়েন টেররিস্ট’ আদালত কেন ফিরিয়ে আনলেন ট্রাম্প?
  • কর, জ্বালানি ও এক রানওয়েতে বাড়ছে উড়োজাহাজ ভাড়া: ইউএস-বাংলা এমডি।
  • ইয়েমেনের সংখ্যালঘু থেকে আঞ্চলিক শক্তি: যেভাবে হুতিদের উত্থান।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচারিক ইতিহাসে প্রায় তিন দশক ধরে কার্যত অচল ছিল একটি বিশেষ আদালত। ‘এলিয়েন টেররিস্ট রিমুভাল কোর্ট’ (এটিআরসি) বা অভিবাসী সন্ত্রাসী বহিষ্কার আদালত নামক এই বিশেষ আইন ব্যবস্থাটি ১৯৯৬ সালে গঠিত হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত সন্দেহে অভিবাসীদের দ্রুত বহিষ্কার করা। তবে প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় কোনো মার্কিন প্রশাসনই এই কাঠামোর ব্যবহার করেনি। অবশেষে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান প্রশাসন তিন দশক পর এই আদালতকে পুনরায় সক্রিয় করে তুলেছে।

এই নতুন উদ্যোগের প্রথম ভুক্তভোগী হয়েছেন আফগানিস্তানের নাগরিক নাজিরা হাজি জাদা। ৪৭ বছর বয়সী এই নারী যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন এবং টেক্সাসের ফোর্ট ওয়ার্থে বসবাস করতেন। যদিও তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি বা দণ্ড হয়নি, তবুও মার্কিন প্রসিকিউটরদের অভিযোগ ছিল, তিনি তার পরিবারের সদস্যদের উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ করেছেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের মার্কিন নির্বাচনের দিন ইসলামিক স্টেট (আইএস) অনুপ্রাণিত একটি হামলার ষড়যন্ত্রের ঘটনায় তার ছেলে আবদুল্লাহ হাজি জাদা ও জামাতা নাসির আহমদ তাওহেদি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর এই অভিযোগ সামনে আসে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের দাবি, নাজিরা এই ষড়যন্ত্র গোপন রাখতে সহায়তা করেছিলেন। তবে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে তিনি দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তার আইনজীবীরা পরিষ্কার জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তকে আদালতের বৈধতা স্বীকার করা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং আইনজীবীদের অভিযোগ, নাজিরা বা তার আইনি দল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত গোপন প্রমাণাদি যাচাইয়ের কোনো সুযোগই পাননি, যা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে নিশ্চিত করা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

বিশেষ আদালতের আইনি কাঠামো ও ক্ষমতা

নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির ব্রেনান সেন্টার ফর জাস্টিসের তথ্যমতে, ১৯৯৫ সালের ওকলাহোমা সিটি বোমা হামলার পরবর্তী পরিস্থিতিতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অংশ হিসেবে এই আদালতটি তৈরি করা হয়েছিল। এর আগে ‘এলএ এইট’ নামে পরিচিত আটজন অভিবাসী অধিকারকর্মীকে বহিষ্কারের সরকারি চেষ্টার ব্যর্থতা থেকে তৎকালীন নীতিনির্ধারকরা এমন একটি ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন যেখানে গোপন প্রমাণের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

এই আদালতের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এতে পাঁচজন ফেডারেল বিচারক থাকেন, যাদের নিয়োগ দেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। কোনো অভিবাসীকে অপসারণের প্রক্রিয়াটি দুই ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথম ধাপে সরকারকে প্রমাণ করতে হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী সন্ত্রাসী বা সন্ত্রাসী সংগঠনের সাথে যুক্ত। দ্বিতীয় ধাপে অপসারণ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এই আদালতের সবচেয়ে বিতর্কিত দিক হলো এখানে গোপন বা শ্রেণিবদ্ধ তথ্য ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। যদি সরকার দাবি করে যে তথ্য প্রকাশ করলে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে, তবে বিচারক তা অভিযুক্তের কাছ থেকেও গোপন রাখার অনুমতি দিতে পারেন।

সন্ত্রাসবাদ বিষয়ক ফৌজদারি মামলার সাথে এই আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মানদণ্ডের পার্থক্য ব্যাপক। সাধারণ ফৌজদারি আদালতে অপরাধ প্রমাণ করতে ‘বিয়ন্ড এ রিজনেবল ডাউট’ বা সন্দেহাতীত প্রমাণের প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই বিশেষ আদালতে ‘প্রিপন্ডারেন্স অব দ্য এভিডেন্স’ বা অভিযোগ সত্য হওয়ার সামান্যতম সম্ভাবনা থাকলেই তা অপসারণের জন্য যথেষ্ট বলে বিবেচিত হয়। এমনকি অভিযুক্তের সম্মতি বা নজরদারি ছাড়াও সংগৃহীত ইলেকট্রনিক তথ্যাদি এখানে প্রমাণের অংশ করা যায়।

নাজিরার ক্ষেত্রেও ২০২৬ সালের ১৫ জুলাই অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ এই আদালতে নথিপত্র দাখিল করেন। শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াই থেকে সরে আসার ফলে এটি প্রশাসনের জন্য একটি বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অ্যাটর্নি জেনারেল একে আইনের শাসন ও জাতীয় নিরাপত্তার বিজয় বলে অভিহিত করেছেন। তবে সমালোচকরা মনে করছেন, ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’-এর বিস্তৃত সংজ্ঞার সাথে এই আদালতের গোপন তথ্য ব্যবহারের সুযোগ মিলিয়ে এটি ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির একটি স্থায়ী ও শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। এর সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ভবিষ্যতে বড় ধরনের আইনি লড়াইয়ের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের বন্ধ ইউনিট থেকে আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে সন্দেহভাজন অভিবাসীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার জন্য ১৯৯৬ সালে আদালতটি গঠন করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের ফিলিস্তিনের পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তৎকালীন অভিবাসন বিচারকরা গোপন প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের আটক ও বহিষ্কারে রাজি হননি, কারণ অভিযুক্তরা সেই প্রমাণ দেখতে বা খণ্ডন করার সুযোগ পাচ্ছিলেন না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে সন্ত্রাস-সংশ্লিষ্ট বহিষ্কারের মামলায় গোপন তথ্য ব্যবহারের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে আইন প্রণয়ন করা হয়।

সর্বশেষ - Uncategorized

আপনার জন্য নির্বাচিত

আইসিই এজেন্টদের বৈদ্যুতিক শক গ্লাভস ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে কংগ্রেসে নতুন বিল

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন

দিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন: পুতিনের আগমন, যোগ দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে ভ্রমণে ইসরায়েলি নাগরিকদের সতর্ক করল জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল

শনিবার ভারতে শুরু হচ্ছে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন, যোগ দিচ্ছেন বিশ্বনেতারা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে আজ শপথ নেবেন খলিলুর রহমান

চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমে ইন্টার মিলানকে হারিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের জয়যাত্রা

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে কোনো অনুশোচনা নেই, অটল অবস্থানে ডোনাল্ড ট্রাম্প

গুচ্ছ ভর্তি: নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্তি ও পবিপ্রবি উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রস্তুতি

চট্টগ্রামে ফায়ারিং অনুশীলনে প্রাণ হারালেন সেনাসদস্য আবু বকর সিদ্দিক