Saturday , 10 October 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ই-পেপার
  4. খেলা
  5. জনপ্রিয়
  6. জাতীয়
  7. দুর্যোগ
  8. দেশের খবর
  9. বাণিজ্য
  10. বিনোদন
  11. রাজনীতি

জ্যামাইকায় বাংলা সংস্কৃতির মিলনমেলায় বিপার অনুভবের সন্ধ্যা

প্রতিবেদক

October 10, 2026 5:15 am

নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় অক্টোবরের এক বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায় বাংলা সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৪ অক্টোবর রোববার জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে আয়োজিত ‘অনুভবের সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠানটি প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের সঙ্গে শিকড়ের সেতুবন্ধন রচনা করে। বাইরের বৃষ্টির আবহ উপেক্ষা করে মিলনায়তনের ভেতরে সুর, নৃত্য আর কথার জাদুতে এক অন্যরকম আমেজ তৈরি হয়। এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও চর্চাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেওয়ার এক সার্থক প্রচেষ্টা দেখা গেছে। বিপা বা বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পারফর্মিং আর্টস-এর এই আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে। অক্টোবরের বৃষ্টি ভেজা নিউইয়র্কের সন্ধ্যায় শহরের চেনা ব্যস্ততায় যেন একটু অন্য রকম আবহ। আর জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারের ভেতরে সেই বৃষ্টির ছন্দের সঙ্গে মিশে যাচ্ছিল কবিতার শব্দ, গানের সুর আর নৃত্যের ঝংকার। বাইরে প্রকৃতির আপন আয়োজন, ভেতরে শিল্পের। কবিতার শব্দে মন খুঁজে পায় তার আপন ভাষা, সংগীতের সুরে হৃদয় ছুঁয়ে যায় এক অনির্বচনীয় প্রশান্তি, আর নৃত্যের ছন্দে প্রাণ ফিরে পায় জীবনের সহজ আনন্দ। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বের আকর্ষণ ছিল আবৃত্তিশিল্পী তাহরিনা পারভীন প্রীতির একক পরিবেশনা হৃদয়-গহন দ্বারে যে কবিতা কড়া নাড়ে। বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি শিরোনামের এই নিবেদনে কবিতা ও গদ্যের মধ্য দিয়ে উঠে আসে শৈশব, দেশ, সম্পর্ক, ভালোবাসা, নারী এবং সমাজের নানা অনুভব।

অনুষ্ঠানটিতে নাদিয়া ইসলাম দৃষ্টির ভূমিকা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি ১৯৯৫ সালে বিপার একজন শিক্ষার্থী হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিলেন। সময়ের পরিক্রমায় আজ তিনি প্রতিষ্ঠানটির বোর্ড প্রেসিডেন্ট এবং শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর এই দীর্ঘ পথচলা এবং বিবর্তনের গল্পটি উপস্থিত দর্শকদের কাছে ছিল অনুপ্রেরণাদায়ক। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিল্পী এবং কলাকুশলীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিপার মঞ্চে যেন বাংলাদেশ ও প্রবাসের সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটেছে।

সাংস্কৃতিক এই সন্ধ্যাকে সফল করতে নেপথ্যে থাকা কুশীলবদের বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। আয়োজনের সার্বিক সাফল্যে বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয় সৈয়দ রিয়াজুল আকবরকে। মূলত প্রবাসের ব্যস্ত জীবনের মাঝেও নিজস্ব সংস্কৃতির প্রতি মমতা আর তাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই আয়োজনের আয়োজন করা হয়েছিল। বিপার এই মঞ্চ থেকে পরিবেশিত প্রতিটি গান ও নৃত্যকলা কেবল বিনোদন ছিল না, বরং তা ছিল শেকড়ের টানে ফিরে আসার এক অকৃত্রিম আবেদন। আর মায়ের আবৃত্তির ফাঁকে ফাঁকে প্রাসঙ্গিক গান পরিবেশন করেন তাঁর একমাত্র কন্যা তাহিয়াত অধরা।

সর্বশেষ - Uncategorized

আপনার জন্য নির্বাচিত