চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমের যাত্রাটা জয় দিয়েই শুরু করল রিয়াল মাদ্রিদ। প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী ম্যাচে তারা ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে শক্তিশালী ইন্টার মিলানকে। বার্নাব্যুর মাঠে অনুষ্ঠিত এই লড়াইয়ে শুরুটা অবশ্য রিয়ালের জন্য খুব একটা সহজ ছিল না। ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিট ইন্টার মিলান যেভাবে আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে, তাতে মনে হচ্ছিল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হয়তো তাদের হাতেই থাকবে। তবে খেলার ধারার বিপরীতে ১৪তম মিনিটে ইন্টারের রক্ষণভাগের একটি বড় ভুল কাজে লাগিয়ে স্বাগতিকরা এগিয়ে যায়। বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। এই গোলের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের ৭১তম গোলটি পূর্ণ করলেন তিনি। ইউরোপিয়ান কাপে তার এই গোলসংখ্যা এখন কিংবদন্তি রাউল গঞ্জালেসের সমান। রাউল তার ক্যারিয়ারে ১৪২ ম্যাচে ৭১টি গোল করেছিলেন, যেখানে এমবাপ্পে এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন মাত্র ৯৯তম ম্যাচে।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে রিয়াল মাদ্রিদ আক্রমণের ধার বাড়ায়। ৫৮ মিনিটে বেলিংহামের হেড থেকে আসা বল ইন্টারের গোলরক্ষক দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন। ৬৬ মিনিটে এমবাপ্পের একটি জোরালো শটও তিনি পা দিয়ে আটকে দিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি। তবে ৭৭তম মিনিটে ইন্টারের রক্ষণভাগ আর নিজেদের সামলাতে পারেনি। লাউতারো মার্তিনেজের চমৎকার একটি ক্রস থেকে কার্লোস অগাস্টো জোরালো শটে রিয়ালের গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়াকে পরাস্ত করে ব্যবধান ২-১ করেন। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ইন্টার সমতায় ফেরার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল। হেনরিখ মখিতারিয়ানের একটি নিশ্চিত গোলমুখী শট থিবো কুর্তোয়া অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দিয়ে রিয়ালের ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত করেন।
চ্যাম্পিয়নস লিগে গোলের এই তালিকায় শীর্ষস্থানগুলো অবশ্য অন্য তারকাদের দখলে। এই প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ ১৪০টি গোল করেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এরপর যথাক্রমে লিওনেল মেসি ১২৯টি, রবার্ট লেভানডভস্কি ১০৯টি এবং করিম বেনজেমা ৯০টি গোল করেছেন। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এই জয়টি মৌসুমের শুরুতে দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় কুর্তোয়ার দৃঢ়তা দলকে বড় বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। ইন্টার মিলান পুরো ম্যাচে লড়াই করলেও রিয়ালের অভিজ্ঞতার কাছে শেষ পর্যন্ত হার মানতে হয়েছে তাদের। বার্নাব্যুর দর্শকদের সামনে জয় দিয়ে শুরু করাটা রিয়াল মাদ্রিদের জন্য ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অন্তত প্রথম ২০ মিনিট দেখে মনে হয়নি এই ম্যাচটা রিয়ালের হতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বল পেয়েই দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে জাল খুঁজে নেন এমবাপ্পে এবং দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়ালের হয়ে এমবাপ্পের আরেকটি রাত, আর ইউরোপিয়ান কাপে গোলসংখ্যা দাঁড়াল ৭১, যেখানে তার পাশে এখন রাউল গঞ্জালেস। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাবেক ক্লাব ইন্টারের বিরুদ্ধে এই জয় দিয়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে নতুন মেয়াদে যাত্রাটা দারুণভাবে শুরু করলেন পর্তুগিজ কোচ হোসে মরিনিয়ো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে স্কোরলাইন যতটা স্বস্তির, ম্যাচটা ঠিক ততটা স্বস্তিদায়ক ছিল না রিয়াল মাদ্রিদের জন্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তৃতীয় মিনিটেই মার্কোস থুরামের হাফ ভলি দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন থিবো কোর্তোয়া। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর হাকান চালহানোলুর ফ্রি কিকও একই পরিণতি পায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইন্টার তখন বার্নাব্যুর বাতাসে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে।













