আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিশ্বনেতাদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে দিল্লি। এরই মধ্যে শুক্রবার ভোর ৪টায় দিল্লির পালাম বায়ুসেনা ঘাঁটিতে অবতরণ করেছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিমান। এই সম্মেলনে পুতিনের পাশাপাশি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা অংশ নিচ্ছেন।
সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে তিনি এই শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন। সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসার কথা রয়েছে রুশ প্রেসিডেন্টের।
এদিকে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। বৃহস্পতিবার ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবারের ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, কিন্তু তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ দেওয়া হয়নি। তাই তিনি সম্মেলনে যাচ্ছেন না। বাংলাদেশ সরকারের কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী কীভাবে যাবেন? প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে সাংবাদিকদেরকে তারেক রহমানের ব্রিকস সম্মেলনে অংশ না নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টায় দিল্লির পালাম বায়ুসেনা ঘাঁটিতে অবতরণ করে পুতিনের বিমান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অন্যদিকে, এতে অংশ নিতে ভারতে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই বৈঠকে নয়াদিল্লি এবং মস্কোর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। চাকরির আরও তথ্য: উল্লেখ্য, ব্রিকস হলো একটি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ কৌশল সংস্থা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলা।














