মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, হিজবুল্লাহ এবং হামাসের সঙ্গে চলমান সংঘাতের জেরে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে নিজ নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল। গত ৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এক হালনাগাদ নিরাপত্তা মূল্যায়নে বাংলাদেশকে উচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি সোমালিয়া, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও লিবিয়ার মতো দেশগুলোও রয়েছে। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, এই নিরাপত্তা মূল্যায়ন নতুন করে কোনো আনুষ্ঠানিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি ও ইহুদিদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় একটি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ।
নিরাপত্তা মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরান এবং তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলো বর্তমানে বিদেশে অবস্থানরত ইসরায়েলি ও ইহুদিদের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। এর পাশাপাশি হামাসও ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইসরায়েলি নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলার সক্ষমতা তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে বলে গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে। আগামী অক্টোবর মাসে ৭ অক্টোবরের হামলার তৃতীয় বার্ষিকী ঘনিয়ে আসায় বিভিন্ন দেশে বড় ধরনের বিক্ষোভের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এসব বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিতে পারে বলে ইসরায়েলি নাগরিকদের সতর্ক করা হয়েছে।
জর্ডান, কাতার, সোমালিল্যান্ড এবং মিসরের সিনাই উপদ্বীপের মতো এলাকাগুলোকে সর্বোচ্চ ঝুঁকির তালিকায় রাখা হয়েছে। এসব অঞ্চলে অবস্থানরত ইসরায়েলিদের দ্রুত এলাকা ত্যাগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত ইসরায়েলিদের প্রকাশ্যে ইহুদি বা ইসরায়েলি পরিচয়ের চিহ্ন প্রদর্শন না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ না করা, বিক্ষোভ এড়িয়ে চলা এবং সিনাগগ, কোশার রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য ইহুদি সমাবেশস্থলের আশপাশে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এসব এলাকায় ইসরায়েলিদের ভ্রমণ না করতে এবং অবস্থান করলে সরে যেতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইরাক, ইয়েমেন, ইরান, সিরিয়া ও লেবাননে ইসরায়েলিদের ভ্রমণ আইনগতভাবেই নিষিদ্ধ রয়েছে।













