যুক্তরাষ্ট্রের বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে নতুন করে ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। এই চুক্তির আওতায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ মডেলের উড়োজাহাজ সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন চলাকালীন এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় সময় বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) তিনি এই দিনটিকে বোয়িং ও মার্কিন শিল্প খাতের জন্য ‘বড় দিন’ হিসেবে অভিহিত করেন। ট্রাম্প জানান, বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের সহায়তায় বাংলাদেশ ও তুরস্কের সাথে বোয়িং মোট ১১১টি বিমান বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে এবং চুক্তিতে অতিরিক্ত ৫০টি বিমান কেনার সুযোগ রাখা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও উল্লেখ করেন, হাজার হাজার কোটি ডলারের এই বাণিজ্যিক চুক্তি মার্কিন রপ্তানি খাতে গতি আনবে এবং দেশজুড়ে হাজার হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হবে। তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মার্কিন শ্রমিকদের সহায়তা করার নীতি কোম্পানিগুলোকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে। বোয়িং ও এর কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, আমেরিকায় পণ্য তৈরি এবং সেখান থেকে রপ্তানিই বোয়িংয়ের সাফল্যের চাবিকাঠি।
মূলত নিজস্ব উৎপাদন ও অভ্যন্তরীণ শ্রমশক্তিকে প্রাধান্য দেওয়ার নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে ট্রাম্প জানান, বাজার এখন এই মার্কিন সক্ষমতাকেই স্বীকৃতি দিচ্ছে। বাংলাদেশ ও তুরস্কের সাথে হওয়া এই বিশাল বিমান বিক্রির চুক্তিকে মার্কিন অর্থনীতির জন্য একটি বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছেন তিনি।
















