নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য ইরানকে বিশেষ অনুমতি দিয়েছে স্বাগতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। আগামী সপ্তাহে শুরু হতে যাওয়া এই আয়োজনে অংশ নিতে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিসহ ইরানি প্রতিনিধি দলকে ভিসা প্রদান করা হয়েছে। তবে মার্কিন প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে, সফরকারী এই প্রতিনিধি দলের আকার অত্যন্ত সীমিত হবে। এছাড়া তাদের চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এবং বিলাসবহুল পণ্য কেনাকাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে।
বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই অধিবেশন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের আকাশচুম্বী দামের কারণে দুই দেশের মধ্যে চরম সামরিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার দাবি করেছেন, কিন্তু ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী ও সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ইরানি নেতাদের ভিসা দেওয়া হলেও ফিলিস্তিনের ক্ষেত্রে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে ওয়াশিংটন। টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) কর্মকর্তাদের ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে মার্কিন সরকার। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, এ ধরনের শাস্তিমূলক পদক্ষেপ শান্তি আলোচনাকে কোনোভাবে সহায়তা করবে না। বরং এটি দখলদার শক্তিকে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান নষ্ট করার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করবে বলে তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।














