জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, দেশের সরকারি কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশই দুর্নীতি ও লুটপাটের সঙ্গে যুক্ত। রোববার বিকেলে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, এই সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষের জনজীবনে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ক্ষমতায় থাকাকালে তারা রাষ্ট্রীয় কোষাগার লুণ্ঠন করেছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর কথা উল্লেখ করে জানান, কেবল লন্ডনেই তার ৩৬০টি বাড়ি পাওয়া গেছে। স্পিকারের দাবি, প্রশাসনের ভেতরে এখনো এমন অনেক লোক রয়ে গেছে, যারা আগের সরকারের অনুগত। ফলে প্রকৃত চিত্র জনসাধারণের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছাচ্ছে না।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৬-১৭ বছরে জনগণের স্বার্থ উপেক্ষা করে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত ছিল। তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে ভারতীয় জাহাজ এলে বাংলাদেশের জাহাজসহ অন্যান্য সব জাহাজকে বন্দর খালি করে দিতে হতো। এছাড়া, নামমাত্র বা বিনা শুল্কে পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
প্রতিবেশী দেশের সীমান্ত হত্যার বিষয়টি তুলে ধরে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গেও তাদের সীমান্ত রয়েছে, কিন্তু সেখানে নিয়মিত মানুষ নিহতের ঘটনা ঘটে না। অথচ বাংলাদেশ সীমান্তে প্রতিনিয়ত নিরীহ মানুষ আহত বা নিহত হচ্ছে। এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য তিনি আওয়ামী লীগ, তাদের দলীয় অনুসারী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের দায়ী করেন। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ ও লুটপাটের উদ্দেশ্যে তারা দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে বাংলাদেশকে আরেক দেশের সরকারের কাছে তুলে দিয়েছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার মতে, এসব কর্মকর্তার ঘুষ-লুটপাটের ফলে জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা অডিটোরিয়ামে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যা কিছু বিদেশি সাহায্য এসেছে, সবকিছু তারা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাংলাদেশ ব্যাংক, সেই ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে পর্যন্ত টাকা চুরি করে তারা ফিলিপাইন নিয়ে গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফিলিপাইনে যারা এ অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিল, তারা এখন সবাই কারাগারে আছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু এ ঘটনায় জড়িত বাংলাদেশের কারও কোনো বিচার হয়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হতাশা প্রকাশ করে স্পিকার বলেন, ‘আমাদের…অদ্ভুত দেশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এগুলো নানা ধরনের ঘুষখোরি, লুটপাট এসব করে; যার ফলে মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে।’ ‘যেসব অন্যায়-অবিচারের বিচার সব দেশে জনগণের চাওয়া ছাড়াই হয়।
















