আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউইয়র্কের উডসাইডের কুইন্স প্যালেসে এক উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ৬ সেপ্টেম্বর রোববার সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এই মনোনয়নপত্র জমার কার্যক্রম। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসেরের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেন। এ সময় প্রার্থী ও তাদের বিপুলসংখ্যক সমর্থকের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা সরগরম হয়ে ওঠে।
নির্বাচনে ২১টি পদের বিপরীতে মোট ৪৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল থেকে ২১ জন করে মোট ৪২ জন এবং দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। বর্তমান সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে ‘সেলিম-আলী’ প্যানেল তাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা জমা দিয়েছে। এই প্যানেল থেকে সভাপতি পদে আতাউর রহমান সেলিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মো. মহিউদ্দিন দেওয়ান এবং সহ-সভাপতি পদে অন্যান্যরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অন্যদিকে, বর্তমান নেতৃত্বের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছে আজমল হোসেন কুনু ও ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেল। এই প্যানেল থেকে সভাপতি পদে আজমল হোসেন কুনু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ফিরোজ আহমেদ লড়ছেন। তাদের প্যানেলের অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে দুলাল বেহেদু, সহ-সভাপতি পদে আবুল কালাম ভূঁইয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে নওশেদ হোসাইন এবং কোষাধ্যক্ষ পদে মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া রুমী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
মনোনয়নপত্র জমার সময় প্রার্থীরা হলে প্রবেশের মুহূর্তে সমর্থকদের স্লোগান ও করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রার্থী ও সমর্থকদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর কমিশন চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। প্রায় ৩৫ হাজার ভোটারের এই নির্বাচন নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ২৫ অক্টোবরের ভোটের মাধ্যমে ভোটাররা নির্ধারণ করবেন পরবর্তী তিন বছরের জন্য কারা বাংলাদেশ সোসাইটির নেতৃত্বে থাকবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শত শত প্রার্থী-সমর্থকের স্লোগান, করতালি, ব্যানার-ফেস্টুন এবং শুভেচ্ছা বিনিময়ে কুইন্স প্যালেস ও আশপাশের এলাকা যেন নির্বাচনী উৎসবে পরিণত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাংলাদেশি কমিউনিটির অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনকে ঘিরে বেশ কিছুদিন ধরেই নিউইয়র্কে প্রচার-প্রচারণা ও নির্বাচনী তৎপরতা চলছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে মনোনয়নপত্র জমার দিন সেই প্রচারণা কার্যত বড় ধরনের শক্তি প্রদর্শনে রূপ নেয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুই প্যানেলই বিপুলসংখ্যক কর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ী নিয়ে কুইন্স প্যালেসে হাজির হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিজ নিজ প্যানেলের প্রার্থীদের নাম ধরে স্লোগান দেন সমর্থকেরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কোথাও করতালি, কোথাও কোলাকুলি ও করমর্দন, সব মিলিয়ে পুরো সময়জুড়ে ছিল প্রাণবন্ত নির্বাচনী আবহ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুই প্যানেলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার উত্তাপ থাকলেও মনোনয়নপত্র জমাকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বরং দুই পক্ষের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অনেককেই পরস্পরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা যায়।













