Saturday , 24 October 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ই-পেপার
  4. খেলা
  5. জনপ্রিয়
  6. জাতীয়
  7. দুর্যোগ
  8. দেশের খবর
  9. বাণিজ্য
  10. বিনোদন
  11. রাজনীতি

ইসরায়েল নির্বাচন ও ট্রাম্পের সমর্থন: অস্বস্তিতে ওয়াশিংটন

প্রতিবেদক

October 24, 2026 4:09 am

আগামী মঙ্গলবার ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশটির রাজনীতি নিয়ন্ত্রণকারী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য এবারের নির্বাচন কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন দল ইয়াশা বেশ কয়েকটি জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টিকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আছে। ফলে এবার তাঁর দীর্ঘ শাসন অবসানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এবার হয়তো তাঁর দীর্ঘ ক্ষমতাপর্বে ছেদ পড়বে। তবে নেতানিয়াহুর বিরোধীরা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, তার সিদ্ধান্ত ইসরায়েলি ভোটাররাই নেবেন। কিন্তু তাতে ডান বা বাম শিবিরের ভোটাররা উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় নিজেদের সিদ্ধান্ত বদলাবেন বলে তাঁর মনে হয় না। প্রস্তুতি অবশ্য হামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। ফলে দূরের যুদ্ধ এখন ঘরের হিসাবেরও অংশ।

তবে নির্বাচনের মাত্র ৯ দিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি নেতানিয়াহুকে তাঁর পূর্ণ ও সম্পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেছেন। সাধারণত মিত্র দেশের নির্বাচনে প্রকাশ্যে কোনো প্রার্থীর পক্ষ না নেওয়ার যে কূটনৈতিক প্রথা রয়েছে, তা ভেঙে ট্রাম্প এই অবস্থান নিলেন। নেতানিয়াহু এই সমর্থনকে লুফে নিয়েছেন এবং ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বিশেষ সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আনছেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান দ্রুত আচরণ পরিবর্তন না করলে বিষয়টি নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং তাঁর ভাষায়, নেতানিয়াহু ছাড়া অন্য কেউ ক্ষমতায় এলে আমেরিকাকে একা কাজটা করতে হবে, যা তিনি করতে আগ্রহী নন। ‘এবার নেতানিয়াহু শেষ’, এই ভেবে ইসরায়েলের ভেতরে ও বাইরে অনেকে যখন কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন, ঠিক তখনই তাঁর পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কথা, ইরান দ্রুত নিজের আচরণ না বদলালে ‘আমরা শিগগিরই কাজটা শেষ করব’। অর্থাৎ ভোটের সঙ্গে ইরান মোকাবিলায় মার্কিন সহযোগিতার প্রশ্নটিও জুড়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। নেতানিয়াহু ইস্যুকে কীভাবে কাজে লাগাতে চান ট্রাম্প ও মামদানি, দুজনই কেন এ নিয়ে লড়াই চান। ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বিশেষ সম্পর্কের কথা সামনে এনে ভোটারদের বোঝাচ্ছেন, ইরানের হুমকি দূর করার অসমাপ্ত কাজ তাঁরাই একসঙ্গে শেষ করতে পারবেন। সমর্থন ঘোষণার পরদিন চ্যানেল টুয়েলভের জরিপে তাঁর দলের পক্ষে তাৎক্ষণিক কোনো বাড়তি সুবিধা দেখা যায়নি। তাঁর যুক্তি, ট্রাম্প যে নেতানিয়াহুর পক্ষে, তা প্রায় সবারই জানা। চমক হলো, এত দিন পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থনটি জানালেন। এসব অভিযোগের জবাবে এল-সাইয়েদ বলছেন, ভোটারদের আসল সমস্যা থেকে নজর সরাতেই তাঁর পরিচয় ও বিশ্বাসকে সামনে আনা হচ্ছে। ট্রাম্প-নেতানিয়াহু চক্র নিজেদের মতো বদলাতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যকে কি স্থায়ী সংকটে ঠেলে দিলেন।

ট্রাম্পের এই প্রকাশ্য হস্তক্ষেপ নিয়ে ইসরায়েলের বিরোধী রাজনীতিকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গাদি আইজেনকট স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি ট্রাম্পের কাছে কোনো হস্তক্ষেপ না করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন এবং জনগণের ভোটাধিকারকে সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। অপর নেতা আভিগদর লিবারম্যানের মতে, নেতানিয়াহুকে পুতুলের মতো ব্যবহার করে ইসরায়েল নিয়ন্ত্রণ করা ট্রাম্পের কৌশলের অংশ। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিভিন্ন জরিপের তথ্য বলছে, ট্রাম্পের এই সমর্থন নেতানিয়াহুর নির্বাচনী পালে খুব একটা হাওয়া দিতে পারেনি। হারৎজ পত্রিকার সম্পাদক ইশাই হালপারসহ অনেকেই মনে করেন, এতে ইসরায়েলের ডান বা বামপন্থী ভোটারদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সম্ভাবনা ক্ষীণ। ইসরায়েলের মানুষ কাকে ভোট দেবেন, সেই সিদ্ধান্তে চাপ সৃষ্টির এমন প্রকাশ্য চেষ্টা সহজে চোখে পড়ে না। ট্রাম্পের কথার গুরুত্ব বুঝে তাঁকেই ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। অধিকাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ট্রাম্পের বক্তব্য তাঁদের ভোটের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে না। বলা বাহুল্য, ইসরায়েলের বিরোধী রাজনীতিকেরা ব্যাপারটি ভালো চোখে দেখেননি।

এই উত্তেজনার আঁচ এসে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির আঙিনাতেও। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে ইরান ও ইসরায়েল ইস্যুতে মার্কিন ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় জীবনযাত্রার খরচ বেড়ে যাওয়াটা বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন যে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে নতুন কোনো হামলা হবে না, তবে সামরিক প্রস্তুতির খবরও সামনে আসছে। অন্যদিকে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নতুন হামলার সামরিক বিকল্প প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। ইরান যুদ্ধ সেই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়েছে, বিশেষত জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটরা ইসরায়েলের প্রতি সামরিক সহায়তা ও গাজায় অভিযান নিয়ে তাদের তীব্র বিরোধিতা প্রচারণায় তুলে ধরছেন।

মিশিগানের সিনেট পদপ্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদকে ট্রাম্প ‘উগ্রপন্থী’ বলে আক্রমণ করলেও তিনি স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

অন্যদিকে, নিউইয়র্কের কংগ্রেস পদপ্রার্থী ডারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ে গাজার অভিযানকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন এবং অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ‘বেবিজ, নট বম্বস’ স্লোগান তুলেছেন।

একইভাবে ক্লেয়ার ভালদেজ ও ব্রাড ল্যান্ডারও অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন, যদিও ল্যান্ডার আত্মরক্ষামূলক অস্ত্রের ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন মত পোষণ করেছেন। তাঁর এই অবস্থানকে আক্রমণের অস্ত্র করেছেন রিপাবলিকানরা।

ভোটারদের মূল ভাবনায় স্বাস্থ্যসেবা, অভিবাসন ও মুদ্রাস্ফীতি থাকলেও গাজা ও ইরান ইস্যু কিছু গুরুত্বপূর্ণ আসনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ - Uncategorized

আপনার জন্য নির্বাচিত

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন নাভি পিল্লাই

টেস্ট ক্রিকেটে অনন্য বিশ্বরেকর্ড গড়লেন লিটন দাস

হুতি হামলার মুখে নিরাপত্তাবেষ্টিত প্রাসাদে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে সৌদি

দুর্গাপূজায় নাশকতার শঙ্কা, পুলিশের ছুটি বাতিল ও কঠোর নজরদারি

নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণে আরব মুসলিম ভোটের অপেক্ষায় ইসরায়েল

চট্টগ্রামে তরুণকে নিরাপত্তা ঘটনায় ও মৃত্যু: গ্রেপ্তার ৪

রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র নিরাপত্তা ঘটনায়, নিহত ১২

নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত সাবেক সেনাকর্মকর্তা জিয়াউল আহসান

অন্তরঙ্গ দৃশ্যে আপত্তি জানিয়ে কাজ ছেড়েছেন যে সাত তারকা

সাজেক থেকে ফেরার পথে পর্যটকদের ওপর হামলা ও গোলাগুলি