প্রিমিয়াম জেট ফুয়েলের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে প্রতি ব্যারেল প্রায় ১৮২ ডলারে পৌঁছালেও যাত্রীদের ওপর বাড়তি ভাড়ার বোঝা চাপাবে না কাতার এয়ারওয়েজ। সম্প্রতি নিউইয়র্কে আয়োজিত কাতার ইকোনমিক ফোরামে সংস্থাটির গ্রুপ প্রধান নির্বাহী হামাদ আলী আল খাতের এ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, জ্বালানি খরচের ঊর্ধ্বগতি সত্ত্বেও এয়ারলাইনসটি যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় না করার নীতিতে অটল রয়েছে।
জ্বালানি সংকটের এই চাপ সামাল দিতে প্রতিষ্ঠানটি বহুমুখী কৌশল হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লাভজনক রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানো এবং তুলনামূলক কম মুনাফাজনক কিছু রুটে সাময়িকভাবে ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত রাখা। হামাদ আলী আল খাতেরের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিমানবন্দরের স্লটগুলো কার্যকর রাখা এবং বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হচ্ছে। পাশাপাশি পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বিশেষজ্ঞ দলও মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে।
এভিয়েশন খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রীদের চাহিদা এখনো বেশ স্থিতিশীল ও শক্তিশালী রয়েছে। তবে বুকিংয়ের ধরনের কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে বর্তমানে প্রায় ৭৫ শতাংশ যাত্রী ভ্রমণের ৬০ দিনের মধ্যে তাদের টিকিট নিশ্চিত করছেন।
প্রধান নির্বাহী আশাবাদী যে, বড় ধরনের ভাড়া বৃদ্ধি ছাড়াই পরিচালন দক্ষতার উন্নয়নের মাধ্যমে বিদ্যমান সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। তিনি আরও নিশ্চিত করেছেন, ভবিষ্যতে যাত্রী চাহিদা ও বাজারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে এলে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা রুটগুলোতে পুনরায় পূর্ণাঙ্গভাবে ফ্লাইট কার্যক্রম চালু করা হবে। পরিচালন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি সেবার মান ধরে রাখাই এখন তাদের মূল লক্ষ্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জেট ফুয়েলের দাম প্রায় ৯০ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার পরও যাত্রীদের ওপর বাড়তি ভাড়া চাপাবে না কাতার এয়ারওয়েজ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে জ্বালানির বাড়তি ব্যয়ের চাপ যাত্রীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেই।
















