সকলকে শারদীয় দুর্গাপূজার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। বিশেষ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকল ভাই-বোনদের জন্য রইল পূজার অশেষ শুভকামনা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ এই ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা এবার তিথি অনুযায়ী আগামী ১৬, ১৭ ও ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উৎসবের এই দিনগুলোতে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ুক আনন্দের বার্তা। হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিশেষভাবে শুভেচ্ছা। হিন্দুধর্ম সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মোৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা তিথিমতে ১৬, ১৭ ও ১৮ অক্টোবর শুরু হচ্ছে। প্রবাসের জটিল জীবনের সীমাবদ্ধতায় অনেকেই আবার তার আগে এবং পরেও এই উৎসবের আয়োজন করবেন। একটি অঞ্চল বা সংগঠনের সবাই মিলে যখন এই উৎসবের আয়োজন হয়, তখন সেই উৎসবকে সর্বজনীন দুর্গোৎসবও বলা হয়। ইতিমধ্যেই প্রতিমা গড়ার কাজসহ ছোটদের নতুন পোশাক, নারী-পুরুষের শাড়ি-গহনা, লেহেঙ্গা, পাজামা-পাঞ্জাবি কেনাকাটার কাজও শেষ হয়েছে।
ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রেক্ষাপটে, দেবী দুর্গার এই আবির্ভাব কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং তা অশুভ শক্তির বিনাশের প্রতীক। আমাদের একান্ত প্রার্থনা ও কাম্য হলো, ২০২৬ সালের এই দুর্গাপূজায় দেবী দুর্গার আগমনে বিশ্ব থেকে সকল প্রকার অসুর ও অশুভ শক্তির চির অবসান ঘটুক। অশুভের বিনাশের মাধ্যমেই পৃথিবীতে সত্য, সুন্দর ও ন্যায়ের জয়গান প্রতিষ্ঠিত হোক—এটাই হোক এবারের উৎসবের মূল সুর। ষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত দলে দলে চলবে দেবী-দর্শন।
দুর্গোৎসব মানেই সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন। অসুর বিনাশিনী দুর্গার আগমনে সমাজে শান্তি ফিরে আসুক এবং মানুষে মানুষে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক। এবারের পূজা সকল অশুভ সংহার করে বিশ্বকে শান্তিময় ও কল্যাণকর এক ঠিকানায় নিয়ে আসুক, এমনটাই প্রত্যাশা করা হচ্ছে। উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে শান্তি ও সমৃদ্ধির পথ সুগম হোক, এটাই শারদীয় দুর্গাপূজার মূল প্রতিপাদ্য। শরৎ শুভ্রতায় দেবী দুর্গার আগমন ঘটে বলে একে শারদীয় দুর্গোৎসব বলা হয়ে থাকে।














