জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার নিউইয়র্কে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। সফর শেষে ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার তিনি নিউইয়র্ক ত্যাগ করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরের প্রতিনিধিদলের আকার বেশ ছোট রাখা হয়েছে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা কর্মকর্তাসহ তাঁর সফরসঙ্গীর সংখ্যা হবে সর্বসাকুল্যে প্রায় ৪০ জন। এর আগে জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে বলা হয়েছিল, প্রতিনিধিদলের সদস্যসংখ্যা ৩৫ জনের বেশি হবে না। তবে সফর ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে নিউইয়র্কভিত্তিক একাধিক প্রতিবেদনে নিরাপত্তা সদস্যসহ সংখ্যাটি ৪০ জনের কাছাকাছি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউইয়র্কে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করবেন বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। বর্তমান সফরটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। গত ৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অধিবেশন শুরু হয়েছে। গত ২ জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৯৯ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ চার দশক পর আবারও বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে আসলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের জন্য এটি প্রথম সফর হলেও ব্যক্তিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর সর্বশেষ সফর ছিল ২০০৫ সালে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটন ডিসির দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন এবং ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার পর্যন্ত নিউইয়র্কে অবস্থান করবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে সফরসঙ্গীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাতিসংঘে ভাষণের পাশাপাশি বিশ্বনেতাদের সঙ্গে তাঁর একাধিক বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখানে তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, নতুন সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ‘নতুন বাংলাদেশ’-এর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সঙ্গে বৈশ্বিক শান্তি, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু ও রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় তাঁর বক্তব্য ও বৈঠকে গুরুত্ব পেতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এবার তাঁর সফরকে ঘিরে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিভিন্ন প্রবাসী সংগঠন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা তাঁকে স্বাগত জানাতে কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
















