অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে নিজ বাসায় বসে কাজ করছিলেন ২৩ বছর বয়সী টিয়াহনা। গত কয়েক দিন ধরেই তিনি ঘরের ছাদের ভেতর থেকে অদ্ভুত সব শব্দ শুনতে পাচ্ছিলেন। শুরুতে বিষয়টি নিয়ে তেমন গুরুত্ব না দিলেও, ঘটনার দিন দুপুরের বিরতির সময় শব্দটি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কী ঘটছে তা নিশ্চিত হতে তিনি মোবাইল ফোন বের করে ভিডিও করা শুরু করেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই ছাদের একটি অংশ ভেঙে রান্নাঘরের ভেতরে আছড়ে পড়ে নিশাচর প্রাণীটি।
টিয়াহনা জানান, তিনি আগেই ধারণা করেছিলেন ছাদের ভেতরে কোনো প্রাণী লুকিয়ে আছে। তাই কাউকে প্রমাণ দেখানোর উদ্দেশ্যেই তিনি ভিডিওটি চালু করেছিলেন। তাঁর ভাষ্যমতে, প্রায় দুই বছর ধরেই তিনি ও তাঁর রুমমেটরা বাসার ছাদে পসামের উপদ্রব নিয়ে বেশ বিরক্ত ছিলেন। এর আগেও একটি পসাম সরানোর জন্য বাড়ির মালিকের সহায়তা নিয়েছিলেন তারা।
টিয়াহনার ধারণা, ছাদে লুকিয়ে থাকা দুটি পসামের মধ্যে মারামারির এক পর্যায়ে ছাদের ওই দুর্বল অংশটি ভেঙে নিচে পড়ে যায়। তিনি আরও জানান, ছাদের ওই অংশটি আগে একটি ঘূর্ণিঝড়ের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যা মেরামত করা হয়নি। এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই প্রাণীগুলো সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল।
ব্রিসবেনের শহরাঞ্চলে মানুষের বাসাবাড়ির সিলিংয়ে পসামের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রাকৃতিক আবাসস্থল কমে যাওয়ায় এসব প্রাণী এখন মানুষের বসতির দিকে ঝুঁকছে। এই ঘটনাটি সেই সমস্যারই একটি বাস্তব উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।







