Tuesday , 8 September 2026 | [bangla_date]
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খেলা
  4. জনপ্রিয়
  5. জাতীয়
  6. দুর্যোগ
  7. দেশের খবর
  8. বাণিজ্য
  9. বিনোদন
  10. রাজধানী
  11. রাজনীতি

নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা নিয়ে আগাম হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

প্রতিবেদক

September 8, 2026 9:37 am

ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব বা প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের পরিবর্তে বর্তমানে দেশটির যুদ্ধকৌশল ও সামরিক সক্ষমতার বিষয়গুলো সামনে নিয়ে আসছেন জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান মোহসেন রেজাই। সাম্প্রতিক সময়ে তেহরানের অবিচল দৃষ্টিভঙ্গি ও সামরিক প্রস্তুতির নানা দিক তুলে ধরছেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে রেজাই জানান, ইরানের সেনাবাহিনী নতুন একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকারী হয়েছে, যার মাধ্যমে শত্রুর হামলার আগেই আগাম আঘাত হানার সক্ষমতা অর্জন করেছে দেশটি।

বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, মোহসেন রেজাই দাবি করেছেন যে, এই নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটি ইতোমধ্যে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বিরুদ্ধে পরীক্ষা করা হয়েছে। যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর হাতে আসা সলিড-ফুয়েলের এই ‘কাসেম বাসির’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েই সেই পরীক্ষা চালানো হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত নয়। তবে এই উন্নত প্রযুক্তির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার ইরানের নতুন সামরিক নীতিকেই নির্দেশ করছে, যেখানে বলা হয়েছে—কেউ হামলার হুমকি দিলে তা বাস্তবায়নের আগেই ইরান পাল্টা আগাম হামলা চালাবে।

গত শনিবার মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছিল ওয়াশিংটন। এর প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন বাহিনী ইরানের তিনটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালায়। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধজাহাজে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা একটি উসকানিমূলক পদক্ষেপ, যা ওই অঞ্চলে অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এর আগে ছয় মাসের যুদ্ধে ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু মূলত বাণিজ্যিক পণ্য ও তেলবাহী জাহাজ থাকলেও, এবারই প্রথম যুদ্ধজাহাজে সরাসরি হামলার খবর পাওয়া গেল। তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, তাদের যুদ্ধজাহাজগুলো এই হামলা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

‘কাসেম বাসির’ ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলের মোড় ঘুরিয়ে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত বছর প্রথমবারের মতো এই ক্ষেপণাস্ত্রের কথা শোনা যায়, যার পাল্লা অন্তত ১,২০০ কিলোমিটার বা ৭৪৫ মাইল। আগের অনেক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় এটি অধিক নির্ভুল ও শক্তিশালী বলে দাবি করা হয়েছে। এদিকে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলায় শুরু হওয়া যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বা পরমাণু কর্মসূচি বন্ধের মূল লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে তারা। উল্টো হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্ববাণিজ্যে ব্যয় বেড়েছে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর মোহসেন রেজাই ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, ইরান হরমুজ প্রণালিতে একটি ‘সীমিত চলাচল’ এলাকা তৈরি করবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ এলাকা থেকে পারস্য উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আগামী কয়েকদিনের মধ্যে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে হোয়াইট হাউস এই পরিকল্পনা নাকচ করে দিয়ে দাবি করেছে, হরমুজের পুরো অংশ এখন উন্মুক্ত এবং মার্কিন নৌবাহিনী তা মাইনমুক্ত করেছে। তাদের ভাষ্যমতে, ভবিষ্যতে সেখানে ইরান ছাড়া অন্যান্য দেশের তেলবাহী ট্যাংকারের চলাচল বাড়বে।

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে মার্কিন অবরোধ অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত ৯৪টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করতে হয়েছে এবং তিনটি জাহাজ চলাচলে অক্ষম হয়ে পড়েছে। এছাড়া, চলমান সংঘাতে ইরানের যুদ্ধকৌশল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে রেজাই স্পষ্ট করেছেন যে, তেহরান এখন আর কেবল প্রতিরক্ষামূলক উদ্যোগে সীমাবদ্ধ থাকবে না। উল্লেখ্য, এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে বাংলাদেশে নতুন ফুটবল জার্সির দাম ১,৬০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বর্তমান পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কিত নয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শেখ হাসিনাকে আসতে হবে না, তাকে ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এক্সপ্লেইনার / সরকারের ব্যাংক ঋণ বাড়লে কার ওপর চাপ পড়ে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, যাওয়া হবে বাড়ি বাড়ি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইরানের ৩ তেলবাহী ট্যাংকার ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাম্প্রতিক দিনগুলোয় শুধু মোহসেন রেজাই নন, ইরানের পক্ষ থেকে আসা সকল বক্তব্যেই বাড়তি আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তার ছাপ লক্ষণ করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সে সময় বলা হয়েছিল, এটি অন্তত এক হাজার ২০০ কিলোমিটার (৭৪৫ মাইল) দূরে আঘাত হানতে পারবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সব আন্তর্জাতিক আইন অবজ্ঞা করে ইরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলা চালিয়ে যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুই সামরিক ক্ষমতাধর দেশের এই হামলার পেছনে একাধিক কারণের অন্যতম ছিল ইরানের গতিশীল ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে রাশ টেনে ধরা।