Wednesday, February 25, 2026
Homeবিনোদনএ বছর বইমেলায় থাকবে ৫ শত ৪৯টি স্টল

এ বছর বইমেলায় থাকবে ৫ শত ৪৯টি স্টল

এ বছরের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রায় দেড়শ স্টল কমেছে। গত বছর ৭১৮টি স্টল অংশ নিলেও এবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫৪৯ টিতে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বাংলা একাডেমিতে বইমেলার প্রস্তুতি বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অমর একুশে গ্রন্থমেলা আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব সেলিম রেজা এই তথ্য জানিয়েছেন।

এ বছরের বইমেলা শুরু হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে। এদিন দুপুর দুইটায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেলা উদ্বোধন করবেন এবং বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মেলা ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। রাত সাড়ে আটটার পর নতুন করে কেউ মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবেন না।

ছুটির দিন ৯টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। শুক্রবার ও শনিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত শিশুপ্রহর থাকবে। এ বছর শিশুদের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মাঝখানে ৬৩ স্টল বসানো হয়েছে।

এ বছর মেলায় অংশ নিচ্ছে ৫৪৯ টি স্টল। এরমধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১ টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৪৬৮টি স্টল থাকবে। এছাড়া উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের পাশে লিটলম্যাগ চত্বরে ৮৭ স্টল থাকবে।

এ বছর মেলায় চারটি প্রবেশপথ থাকবে। রমজান উপলক্ষ্যে তারাবির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া উদ্যানের আশেপাশের সড়কে আলো বৃদ্ধি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, ওয়াচটার স্থাপনসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।

এবছর বই বিক্রি হবে ২৫ শতাংশ ছাড়ে। বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে। এবারের বইমেলার প্রতিপাদ্য ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’। বইমেলা পলিথিন এবং ধূমপানমুক্ত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

২০২৬ সালের বইমেলা ডিসেম্বরের ১৭ তারিখ থেকে জানুয়ারির ১৭ তারিখ আয়োজন করার ঘোষণা দিলে প্রকাশক ও লেখকদের প্রতিবাদের মুখে তা প্রত্যাহার করা হয়। পরে ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা আয়োজনের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি নেওয়া হয়েছে।

এ দিকে, স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দে অস্বচ্ছতা নিরসন না হওয়া এবং সময়স্বল্পতার কারণ দেখিয়ে অমর একুশে বইমেলায় অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল বই প্রকাশকদের সংগঠন ‘প্রকাশক ঐক্য’।

পরে সরকার থেকে প্রকাশকদের দাবি মেনে নেওয়া হলে তারা বইমেলায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। এ বছর প্রকাশকদের কাছ থেকে স্টল ফি মওকুফ করা হয়েছে।

এ ঘটনার পর ১৯ ফেব্রুয়ারি পুনরায় স্টল বরাদ্দ নেওয়ার জন্য প্রকাশকদের জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক আজম জানান, স্টল বরাদ্দ দিতে দেরি হওয়ায় এ বছর এখনো স্টল বানানোর কার্যক্রম শেষ হয়নি। তবে বেশিরভাগ স্টল ২৬ তারিখের মধ্যে প্রস্তুত হয়ে যাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

রমজানের বিষয়ে প্রকাশকদের আপত্তির বিষয়ে অধ্যাপক আজম বলেন, রোজার ব্যাপারটি আমরা পরিবর্তন করতে পারব না। এইবছর পুরো ব্যাপারটি এরকম যে হয়েছে, তার মূল কারণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নির্বাচনের আগে আমাদের আয়োজনের অনুমতি দেননি। আর্থিক প্রণোদনাসহ স্টল ভাড়া মওকুফের বিষয়ে এই বছরই কেবল থাকবে।

আগামী বছর থেকে তা থাকবে না। বাসস

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments